ধানের শীষে ভোট চাইলেন আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক
পটিয়া উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক এনামের সঙ্গে প্রচারে দেখা গেছে একই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক ব্যবসায়ী শফিউল আলম বাদশাকে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ওঠে সমালোচনার ঝড়।
বিগত আওয়ামী লীগ আমলে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন করেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান না করে এভাবে প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল সমালোচনা। ওই ব্যবসায়ী পটিয়ার সাবেক আওয়ামী লীগের এমপি সামশুল হক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠজন হিসেবেও এলাকায় পরিচিত।
বিএনপির অনেক নেতাও এ নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তারা বলছেন, সুদিনে এখন সবাই বিএনপি সেজে বসে আছে। এটা দলের জন্য অশনিসংকেত। ত্যাগীদের বাদ দিয়ে নতুনদের প্রাধান্য দিলে দলে বিশৃঙ্খলাও দেখা দিতে পারে।
বিএনপির এক কর্মী সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্টে লিখেন,
মারহাবা মারহাবা কেউ আমিন না লিখে যাবেন না। ডানে বামে সবাই আওয়ামী লীগ,তাহলে বিএনপি কারা,মতামত আপনাদের কিছু আওয়ামী লীগ এ-র কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলছি, ভোট চাইলে দোষের কিছু নেই মন চাইলে ইহা লিখতে পারবেন!! বিএনপির করা ৫ টি মিথ্যা মামলায় অথচ আওয়ামী লীগের এই দুর্দিনে পরিচ্ছন্ন প্রকৃতি ত্যাগী কর্মীরা কারাগারে রাজবন্দী, আর সুবিধাবাদীরা অন্য দলের পা চাটা শুরু করে দিয়েছে। পটিয়া উপজেলা ১০ নং ধলঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক শফিউল আলম বাদশা আনুষ্ঠানিকভাবে পদের নাম ঘোষণা করেছেন সাবেক হুইপ মহোদয় পাশের জন হচ্ছেন ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকা প্রত্যাশী আবুল বাশার চৌধুরী দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের মিটিং উনার বাড়িতে হয়েছেন হুইপ সাহেবের নির্দেশে!!
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে শফিউল আলম বাদশা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি একজন ব্যবসায়ী। সবার সঙ্গে থাকতে হয়।’ সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা চলছে—এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে কল কেটে দেন।