লালমনিরহাটের ৪ সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিল বিজিবি

জুন ৬, ২০২৬ | Feature-2 |

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের চারটি পৃথক সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জন নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে পুশইনের (জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার) চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থান, কৌশলগত তৎপরতা ও সার্বক্ষণিক কড়া নজরদারির মুখে শেষ পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পুশইনের জন্য জড়ো করা লোকজনকে তাদের নিজস্ব ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার (৫机制) ভোরে জেলার চারটি পৃথক সীমান্ত পয়েন্টে মোট ৩৩ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তির অবস্থান ও বিএসএফের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) বড়খাতা সীমান্তে ১১ জন, পাটগ্রামের পঁয়ষট্টিবাড়ী সীমান্তে ১০ জন এবং আদিতমারী উপজেলার দিঘলটারী-দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকায় ১২ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি ছিলেন।

সীমান্তে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন ও দিনভর উত্তেজনা:

সীমান্তে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের অবস্থান ও পুশইনের জোর তৎপরতা শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিজিবি সদর দফতর থেকে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা জারি করা হয়। বিজিবি দ্রুত সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত জোয়ান মোতায়েন করে কৌশলগত অবস্থান নেয় এবং যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর বাধা সৃষ্টি করে। বিজিবির এই অনড় ও দৃঢ় অবস্থানের কারণে দিনভর ওই ৩৩ জন ব্যক্তি জিরো লাইন (শূন্যরেখা) ও ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে অবস্থান করতে বাধ্য হন, কিন্তু বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারেননি।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক, কড়া টহল অব্যাহত:

এ বিষয়ে ১৫ বিজিবির মিডিয়া সেল থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বিজিবির কড়া প্রতিরোধের মুখে সীমান্তে পুশইনের জন্য আনা সব ব্যক্তিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত তাদের নিজস্ব ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। বর্তমানে তিনটি সীমান্ত পয়েন্টেই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে বিজিবি ওইসব পয়েন্টে কঠোর নজরদারি ও বিশেষ টহল কার্যক্রম (পেট্রোলিং) অব্যাহত রেখেছে।



Leave a Comment