ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫

জুন ৮, ২০২৬ | Feature-1 |

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। শক্তিশালী এই ভূকম্পনের ফলে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আজ সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ফিলিপাইনের সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এই হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে।

একটি অঞ্চলেই ১২ জনের মৃত্যু, আহত ১২৯:

ফিলিপাইনের স্থানীয় সিভিল ডিফেন্স অফিসের পরিচালকের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া ১৫ জন মৃতের মধ্যে ১২ জনেরই মৃত্যু হয়েছে দেশটির সোকসারজেন (Soccsksargen) অঞ্চলে। ফিলিপাইনের এই বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলটি মূলত চারটি প্রদেশ এবং একটি প্রধান শহর নিয়ে গঠিত। এগুলো হলো— সাউথ কোটাবাটো, সুলতান কুদারাত, সারাংগানি এবং জেনারেল সান্তোস সিটি।

সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক আরও জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের তীব্রতায় সোকসারজেন অঞ্চলেই অন্তত ১২৯ জন নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য উপদ্রুত এলাকাগুলো থেকে তথ্য আসা শুরু করলে হতাহতের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি:

বিবিসি জানিয়েছে, আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপে এই ভয়াবহ ভূকম্পনটি আঘাত হানে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ও স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল বা গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার (৬.২ মাইল) গভীরে। ভূমিকম্পের গভীরতা কম হওয়ায় মিন্দানাও ও এর আশপাশের দ্বীপগুলোতে ঝাঁকুনির তীব্রতা ছিল অনেক বেশি, যার ফলে অসংখ্য ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে。

ভূমিকম্পের পরপরই জারি করা সুনামি সতর্কতার মধ্যে উপদ্রুত এলাকায় উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে ফিলিপাইনের সিভিল ডিফেন্স, রেড ক্রস ও সামরিক বাহিনীর উদ্ধারকারী দল।



Leave a Comment