নেপালে হিমবাহ ধস ও ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৬; নিখোঁজ প্রায় আড়াই হাজার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপাল-চীন সীমান্ত অঞ্চলে পাহাড়ি ঢল, হিমবাহ ধস ও আকস্মিক বন্যায় (Flash Flood) নিহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে অন্তত ৬২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাতে নিশ্চিত হওয়া গেছে, কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু মানুষ চাপা পড়ে থাকায় এখনো অন্তত ২,৫০০ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
আজ শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) প্রকাশিত বিবিসির হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই হৃদয়বিদারক ও ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।
ক্ষয়ক্ষতি ও সার্বিক পরিস্থিতি
দুর্যোগের ভয়াবহতা এবং অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত:
প্রাণহানির আশঙ্কা বৃদ্ধি: দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতে উদ্ধারকারী দলগুলো পৌঁছানোর সাথে সাথে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। নেপাল প্রশাসন আশঙ্কা করছে, তল্লাশি অভিযান যত এগোবে, প্রাণহানির চূড়ান্ত সংখ্যা আরও অনেকটাই বাড়তে পারে।
ধ্বংসাবশেষ ও নদীগর্ভে রূপান্তর: নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় ভয়াবহ বন্যার পানির সঙ্গে বিশাল আকৃতির বরফ, পাথর, কাদা ও উপড়ানো গাছের তোড় নেমে এসে অসংখ্য ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে।
উদ্ধার অভিযান ও চ্যালেঞ্জ
দুর্গত এলাকায় পরিচালিত তল্লাশি কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা:
দুর্গম অঞ্চলে তল্লাশি: নিখোঁজ প্রায় আড়াই হাজার মানুষের সন্ধানে কাদা-পানির স্তূপ ও ধসে পড়া ধ্বংসাবশেষের মধ্যে জোর উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন নেপাল সেনাবাহিনী, পুলিশ ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।
যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতায় বাঁধা: পাহাড়ি এলাকার প্রধান সড়ক ও সংযোগ সেতুগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকারীদের ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে দুর্গত এলাকায় পৌঁছাতে তীব্র কাঠখড় পোহাতে হচ্ছে, যা জীবিতদের উদ্ধারের পথকে প্রতিনিয়ত কঠিন করে তুলছে।