ইবিতে আটক শিক্ষার্থী যুগলের বিয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল; প্রক্টর কার্যালয়ের মুচলেকায় হস্তান্তর
ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়া শিক্ষার্থী যুগলকে প্রক্টর কার্যালয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর উভয়ের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রাথমিকভাবে প্রক্টরিয়াল বডি এবং পরিবারের সিদ্ধান্তে শনিবার সামাজিকভাবে বিয়ের পরিকল্পনা করা হলেও পরবর্তীতে তা বাতিল করা হয়।
গতকাল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রক্টর কার্যালয়ে শিক্ষার্থী, পরিবার এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর উভয় পরিবারের কাছে তাঁদের হস্তান্তর করা হয়।
প্রক্টর কার্যালয়ের সভা ও গৃহীত সিদ্ধান্ত
জিম্মায় হস্তান্তর ও আলোচনা: সভায় প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি ও সহকারী প্রক্টররা উপস্থিত ছিলেন। পূর্বে নেয়া সামাজিক বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে ছাত্রকে তাঁর স্বজনদের এবং ছাত্রীকে সসম্মানে তাঁর পরিবারের জিম্মায় সোপর্দ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্যবস্থা: প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান জানান, পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার পাশাপাশি ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ওই শিক্ষার্থী যুগলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক সুপারিশ পাঠাবে প্রক্টরিয়াল বডি।
ঘটনার সূত্রপাত ও ব্যাকগ্রাউন্ড
স্থানীয়দের হাতে আটক: গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পূর্ব পাশে মাদ্রাসা মসজিদসংলগ্ন কাঁঠালবাগান এলাকা থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের অনৈতিক আচরণের অভিযোগে আটক করেন।
প্রক্টরিয়াল বডির উদ্ধার: স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই শিক্ষার্থী যুগলকে উদ্ধার করে নিরাপত্তার স্বার্থে সরাসরি প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।