নেপালের কাঠমান্ডুস্থ ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে তুর্কিশ এয়ারলাইনসের একটি যাত্রীবাহী বিমান। ২৭৭ জন যাত্রী ও ১১ জন ক্রু নিয়ে অবতরণের সময় বিমানটিতে আগুন লেগে যায়। তবে বিমানবন্দরের দ্রুত উদ্ধার তৎপরতায় বিমানে থাকা ২৮৮ জন আরোহীর সবাই নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।
দুর্ঘটনার বিবরণ:
নেপালের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইস্তাম্বুল থেকে আসা বিমানটি যখন রানওয়ে স্পর্শ করছিল, তখন এর ডান পাশের ল্যান্ডিং গিয়ারে স্ফুলিঙ্গ দেখা দেয় এবং মুহূর্তেই আগুন ধরে যায়। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও কোনো প্রাণহানি বা আহতের খবর পাওয়া যায়নি।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:
সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব নেপালের (সিএএএন) মুখপাত্র জ্ঞানেন্দ্র ভুল গণমাধ্যমকে বলেন, “বিমানে থাকা সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদ আছেন। উদ্ধার অভিযান সফলভাবে শেষ হয়েছে। বর্তমানে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।”
বিমানবন্দরে অচলাবস্থা:
এই ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের একমাত্র রানওয়েটি প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়। এতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বেশ কিছু ফ্লাইটের সময়সূচি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুনরায় ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হয়।
পুরানো স্মৃতি:
হিমালয়বেষ্টিত নেপালের ভৌগোলিক দুর্গমতার কারণে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরকে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ রানওয়ে হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালেও তুর্কিশ এয়ারলাইনসের একটি বিমান এই বিমানবন্দরেই রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়েছিল। সেবারও অলৌকিকভাবে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।


