কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীকে ইরান ‘যুদ্ধের অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করছে বলে কাতার ও তুরস্ক যে দাবি করেছে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানায়নি তেহরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করেছে যে তারা এই কৌশলগত জলপথকে যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
ইরানের অবস্থান ও নিয়ন্ত্রণ:
নিয়ন্ত্রণ জোরদার: ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, বর্তমানে তারা এই প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করতে তাদের আওতাধীন এলাকা সম্প্রসারিত করছে।
জাহাজ চলাচলের অনুমতি: ইরান দাবি করছে যে, তারা এই রুটে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে।
আইআরজিসি-র নির্দেশনা: তবে শর্ত হিসেবে জাহাজগুলোকে অবশ্যই দেশটির রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (IRGC) নৌবাহিনী নির্ধারিত পথ অনুসরণ করতে হবে।
সমন্বয় বাধ্যতামূলক: জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে আইআরজিসি (IRGC) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে বলে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে।
কৌশলগত গুরুত্ব:
আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরান এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণকে স্বাভাবিক নিরাপত্তা প্রক্রিয়া হিসেবে দাবি করলেও আন্তর্জাতিক মহলে একে বিশ্ব বাণিজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। কাতার ও তুরস্কের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরান তার সামরিক সার্বভৌমত্ব বজায় রেখেই নির্দিষ্ট নীতিমালা সাপেক্ষে জাহাজ চলাচলের পথ খোলা রাখার অঙ্গীকার করেছে।


