প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আইএপিবি-র সিইও পিটার হল্যান্ডের সাক্ষাৎ
সিনিয়র রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক অন্ধত্ব প্রতিরোধ সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর প্রিভেনশন অফ ব্লাইন্ডনেস’ (আইএপিবি)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পিটার হল্যান্ড।
আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাতকালে বাংলাদেশের সামগ্রিক চক্ষুস্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ, দেশব্যাপী অন্ধত্ব প্রতিরোধ, গ্রামীণ জনপদের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস এবং এই জনকল্যাণমূলক খাতে আন্তর্জাতিক পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও স্বল্পমূল্যে উন্নত চক্ষুসেবা পৌঁছে দিতে তাঁর সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটিতে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের পক্ষে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
উচ্চপর্যায়ের এই দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাৎ শেষে সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং আইএপিবি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিটার হল্যান্ড বৈঠকের নানা ইতিবাচক দিক ও ভবিষ্যৎ যৌথ কর্মপরিকল্পনা সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
ব্রিফিংয়ে পিটার হল্যান্ড বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের কাঠামোগত অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, অন্ধত্ব দূরীকরণ ও চোখের চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখতে আইএপিবি বাংলাদেশকে কারিগরি প্রযুক্তি ও উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, বিশ্বখ্যাত এই সংস্থার সহযোগিতায় শীঘ্রই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে বিশেষায়িত আই-ক্যাম্প এবং উন্নত লেন্স প্রতিস্থাপনের মতো বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে, যা দেশের সুষম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সমান্তরালে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।