স্বৈরাচারের মানসিক নির্যাতনেই কোকোর অকালমৃত্যু: রিজভী

August 12, 2026 | Feature-2 |

নিউজ ডেস্ক: মুক্তিযুদ্ধে কোনো অবদান না থাকায় শেখ হাসিনা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরিবারকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

আজ বুধবার (১২ আগস্ট ২০২৬) বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানীতে তাঁর কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়া পরিবারের অবদান ও স্বৈরাচারের নির্যাতন
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি এদেশের বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধকালীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সন্তানসহ বন্দী ছিলেন, তিনিও একজন মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে শেখ হাসিনার পরিবারের কোনো অবদান ছিল না; না তাঁর পিতার, না তাঁর নিজের। তাঁরা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছেন।”

তিনি অভিযোগ করেন, জিয়া পরিবারের দেশপ্রেম ও বিপুল জনপ্রিয়তা শেখ হাসিনা কোনোদিনই বরদাস্ত করতে পারেননি। নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য ও অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার বাসনায় জিয়া পরিবারের ওপর একের পর এক যন্ত্রণা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

কোকোর মৃত্যু ও বেগম জিয়ার ট্র্যাজেডি
মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর অকালপ্রয়াণকে ফ্যাসিবাদের এক চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশের ফসল উল্লেখ করে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, “মরহুম আরাফাত রহমান কোকো অসুস্থ অবস্থায় পৃথিবী থেকে চলে গেছেন। বালুর ট্রাক দিয়ে মা বেগম খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঠিক সেই মুহূর্তে মায়ের কোলে সন্তানের লাশ এসেছিল—এমন মর্মান্তিক বিয়োগান্তক ঘটনা পৃথিবীর কোনো মহাকাব্যে আছে বলে মনে হয় না। এটি ছিল একজন অবৈধ ও ফ্যাসিবাদী শাসকের চরম প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ।”

শেখ হাসিনাকে ‘পলাতক স্বৈরাচারিনী’ আখ্যা দিয়ে রিজভী বলেন, জনগণের ধাওয়া খেয়ে আজ তাঁকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। অথচ শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান আজ জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে দেশের জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।



Leave a Comment