দেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে: রাষ্ট্রপতি
নিউজ ডেস্ক: দেশে পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হলে ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা সুনিশ্চিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার কোনো বিকল্প নেই।
আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বঙ্গভবনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব
বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে রাষ্ট্র পরিচালনায় গণতান্ত্রিক কাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন:
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের বিকাশ: দেশকে স্থায়িত্ব ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বজায় রাখতে হলে নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে এবং সবকটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীন ও কার্যকরভাবে গড়ে তুলতে হবে।
অধিকার ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা: দেশের আপামর জনগণ একটি নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যক্ষ করতে চায় উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি সতর্ক করেন যে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ দুর্বল হয়ে পড়লে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
পূজা উদযাপন পরিষদের শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ
সাক্ষাৎকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতির প্রতি অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন ও বিভিন্ন বিষয়ে সার্বিক পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করেন:
রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন: বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
ধর্মীয় উৎসব ও সরকারি সহায়তা: সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী ও রথযাত্রাসহ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান প্রধান ধর্মীয় উৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, ভাবগাম্ভীর্য ও সুষ্ঠু পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপনে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।