কাঁটাবনে ১৪ তলা ভবনে গভীর রাতে ভয়াবহ আগুন; দগ্ধ হয়ে দুই যুবকের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর কাঁটাবন এলাকায় একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনের ১২ তলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন লাগার পর ভবনটি থেকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পর মো. জনি (২৪) ও আবদুস সালাম (২০) নামে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২৬ জুন) দিনগত গভীর রাতে এই প্রলয়ংকরী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটের যৌথ ও নিরলস চেষ্টায় রাত ৩টা ৮ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক গণমাধ্যমকে খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আগুন লাগার পর ১২ তলার দুটি ফ্ল্যাট থেকে মারাত্মক দগ্ধ অবস্থায় ওই দুজনকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।
একনজরে কাঁটাবনে বহুতল ভবনের অগ্নিকাণ্ড ও হতাহতের বিবরণ:
শুক্রবার গভীর রাতে কাঁটাবনের বহুতল আবাসিক ভবনে ঘটে যাওয়া এই অগ্নিকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত চিত্র:
ঘটনাস্থল: কাঁটাবন এলাকার একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবন (১২ তলার দুটি ফ্ল্যাট)।
আগুন নিয়ন্ত্রণের সময়: ২৬ জুন (শুক্রবার) দিনগত রাত ৩টা ৮ মিনিট।
ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা: আগুন নির্বাপণ ও উদ্ধারকাজে অংশ নেয় ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট।
নিহতদের পরিচয় ও হাসপাতাল:
১. মো. জনি (২৪): উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২. আবদুস সালাম (২০): উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ভবনে আর কেউ আটকে নেই, অনুসন্ধানে ফায়ার সার্ভিস:
ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, আগুনের তীব্রতা দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও ভেতর থেকে জনি ও আবদুস সালাম ছাড়া বাকি বাসিন্দাদের নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে। ভবনের ভেতরে বর্তমানে আর কোনো মানুষ আটকে নেই এবং নতুন করে কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি। তবে ঠিক কী কারণে বা কীভাবে এই গভীর রাতে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও আগুনের উৎস অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।