মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের ১২টি নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ পুলিশ

September 24, 2026 | Feature-2 |

নিউজ ডেস্ক: দেশে প্রতিনিয়ত ঘটে চলা সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য ১২টি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ নিজের ও পরিবারের সুরক্ষার স্বার্থে সব যানবাহনের চালক ও আরোহীদের এসব ট্রাফিক আইন ও সুরক্ষা ব্যবস্থা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

পুলিশের ১২ দফা নির্দেশনার বিবরণ

সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার: মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী উভয়কে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করতে হবে এবং চার চাকার গাড়ির চালক ও যাত্রীদের সিট বেল্ট বাঁধা বাধ্যতামূলক।

যাত্রী সীমা: মোটরসাইকেলে চালকসহ সর্বোচ্চ দুইজন আরোহী যাতায়াত করতে পারবেন।

মোবাইল ও হর্ন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা: গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা এবং অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হর্ন বাজানো থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।

গতিসীমা ও সিগন্যাল: সড়কের নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতে হবে এবং ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

ইন্ডিকেটর ও ‘ব্লাইন্ড স্পট’ সচেতনতা: লেন পরিবর্তন বা ডানে-বামে মোড় নেওয়ার আগে অবশ্যই ইন্ডিকেটর আলো ব্যবহার করতে হবে এবং বড় ও ভারী যানবাহনের ‘ব্লাইন্ড স্পট’ (যে অংশ চালকের দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকে) সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।

নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা: যেকোনো দুর্ঘটনা এড়াতে সামনের যানবাহনের থেকে নির্দিষ্ট নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালাতে হবে।

খারাপ আবহাওয়ায় সতর্কতা: অতিরিক্ত কুয়াশা, বৃষ্টি বা দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় গাড়ির গতি কমিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যাতায়াত করতে হবে।

ধৈর্য ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণ: ট্রাফিক জ্যাম কিংবা অন্য চালকের অনিয়ম দেখে ধৈর্য না হারিয়ে ঠান্ডা মাথায় গাড়ি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নেশাজাতীয় দ্রব্য ও তন্দ্রাচ্ছন্নতা এড়িয়ে চলা: মদ্যপ বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায়, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় এবং কোনো অবস্থাতেই উল্টো পথে (রং সাইড) গাড়ি চালানো যাবে না।

ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং না করা: মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং না করে সর্বদা নিজের নির্ধারিত লেন মেনে গাড়ি চালাতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথে রাখা: চালকদের সর্বক্ষণ হালনাগাদ ড্রাইভিং লাইসেন্স, ফিটনেস সনদসহ যানবাহনের সমস্ত বৈধ কাগজপত্র সাথে রাখতে হবে।

আইন ও সামাজিক দায়িত্ববোধ: ট্রাফিক আইনকে শ্রদ্ধার সাথে মেনে চলে নিজের ও পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।



Leave a Comment