এমপি গাজী নজরুলের বহিষ্কারের পর সাতক্ষীরা-৪ উপনির্বাচনে লড়ার ইচ্ছা হিরো আলমের
নিউজ ডেস্ক: নৈতিক স্খলনের দায়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনার জেরে তাঁর সংসদ সদস্য পদ বাতিল বা শূন্য ঘোষিত হলে উক্ত আসনে উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম)।
এক বিশেষ অডিও বার্তায় হিরো আলম তাঁর নির্বাচনী আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন।
‘উপনির্বাচন হলেই দাঁড়াব’: অডিও বার্তায় হিরো আলম
অডিও বার্তায় হিরো আলম বলেন, “আমার অনেক দিনের স্বপ্ন, আমি এমপি হব। আমি চেয়েছিলাম, যদি কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। গত নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। এখন যেখানেই উপনির্বাচন হবে, আমি সেখানেই নির্বাচন করব। আমি দেখতে চাই সুষ্ঠু নির্বাচনেও আমার ওপর আক্রমণ হয় কি না—আমায় কি জামায়াত অ্যাটাক করে, বিএনপি অ্যাটাক করে নাকি অন্য কেউ অ্যাটাক করে! আমি কয়েকবার নির্বাচনে লড়েছি এবং জনগণ আমার পক্ষে রায় দিয়েছে। এবার উপনির্বাচনে দেখা যাক জনগণ কী সিদ্ধান্ত নেয়।”
হিরো আলমের আগের নির্বাচনী ইতিহাস
ইতোপূর্বেও একাধিকবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন হিরো আলম। এর আগে বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে খুব কম ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি। ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনেও তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন, যেখানে প্রচারণার শেষ দিনে তাঁর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল।
সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে ‘আমজনতা’ দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও পরবর্তীতে শেষ পর্যন্ত তিনি ভোটযুদ্ধে থাকেননি। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও লড়ার আগ্রহ প্রকাশ করতে দেখা গেছে তাঁকে।
ঘটনাক্রমে যদি জাতীয় সংসদের স্পিকার ও নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সাতক্ষীরা-৪ আসনটি শূন্য ঘোষিত হয়, তবে সেখানে আবার নতুন রাজনৈতিক উত্তাপের সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।