গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রপতি হতেন অলি আহমদ: হামিদুর রহমান আযাদ

নিউজ ডেস্ক: সংবিধান সংস্কার ও গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারতেন এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট ২০২৬) নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষে প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

‘সংসদ সদস্যদের স্বাধীনতা ও গণভোটের গুরুত্ব’

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। গণভোটের রায় কার্যকর করা হলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদসহ সংসদীয় চর্চায় সংস্কার আসত। ফলে এমপিরা স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারতেন এবং কর্নেল অলি আহমদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হতে পারতেন। গণভোটের রায় কার্যকর করলে বিএনপি নিজেকে সব ধরনের বিতর্ক থেকে মুক্ত রাখতে পারত।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দলীয় স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকার বিষয়টির সমালোচনা করে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কেন্দ্র বা সচিবালয়ে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠক কোনোভাবেই কাম্য নয়।

‘হার-জিত মুখ্য নয়, গণতন্ত্রের চর্চাই মূল লক্ষ্য’

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আমরা অত্যন্ত সুনিপুণভাবে সকল প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্তসহ প্রার্থী হিসেবে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি। এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একটি ব্যতিক্রমী নির্বাচন। সচরাচর সরকারি বা সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকেই এককভাবে প্রার্থী দিতে দেখা যায়, কিন্তু এবার বাংলাদেশে গণতন্ত্র চর্চার এক নতুন ধারা উন্মোচন করতে ১১ দলীয় ঐক্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের কাছে হার-জিত মুখ্য নয়, সুস্থ ও গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার চর্চা প্রতিষ্ঠা করাই প্রধান লক্ষ্য। বিএনপি নানা কৌশল অবলম্বন করে সংসদে তাদের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করলেও আমরা নীতির জায়গায় অটল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।



Leave a Comment