হুজুররা হাসনাতের বেলায় চেতছে, বিএনপির বেলায় চুপ: মাদানী
নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের জের ধরে আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি স্পষ্ট করেছেন, বিএনপি নেতাদের মন্তব্যে যা প্রতিক্রিয়া হয় না, হাসনাতের বক্তব্যে আলেমদের মনে বেশি আঘাত লাগার প্রধান কারণ জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় তৈরি হওয়া আত্মিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক ভালোবাসা।
আজ রোববার (৩০ আগস্ট ২০২৬) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব কথা জানান রফিকুল ইসলাম মাদানী।
পাঠকদের জন্য হুবহু পোস্টটি দেয়া হলো:
***হুজুররা হাসানাতের বেলায় চেতছে অথচ
বিএনপির বেলায় চুপ**
• যারা বলার চেষ্টা করছেন—এই হুজুররা হাসানাতের বেলায় এত চেতছে, অথচ ফজলুর রহমান, রুমিন ফারহানা বা অন্য কেউ বললে তো এত চেতে না, তাহলে তো এরা ফান্ডিং আন্দোলন করে!
• আমরা যদি প্রশ্ন করি—সবাই রাজুতে আসেন বলার পর রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের ডাকে কোন মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল শাহবাগে? কিংবা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার আন্দোলনে কার ডাকে স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল?
• আমাকে ফোনে একদিন হাসানাত ভাই বললেন, “ভাই, জরুরি ঢাকা আসেন, হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হবে।” আমি তখন অবাক—এই পরিস্থিতিতে উনি আমার নাম্বার কোথায় পেলেন!
• আমিও সোজা চলে গেলাম, সাথে যারা ছিল তাদের নিয়ে গিয়ে দেখলাম, শাহবাগে অনেক মাদ্রাসা ছাত্ররাও সেখানে উপস্থিত!
• পরবর্তীতে তো দেশ স্বাভাবিক হলে উনার বাড়িতে উনার দাওয়াতে মাহফিলেও গিয়েছি।
• রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমান—এ ধরনের লোক পায়ে ধরে সারাদিন পড়ে থাকলেও আমরা কোথাও যাব না। এদের আমরা বাইরের এজেন্ট মনে করি। এদের বক্তব্যের মাঝেমধ্যে প্রতিবাদ করি, আবার করিও না!
• কিন্তু যাদের সাথে আমাদের এত সম্পর্ক, যাদের সাথে হাতে-হাত রেখে আন্দোলন করলাম, যাদের বিপদে দোয়া করি, যাদের দুর্দিনে আমরা পাশে দাঁড়াই, তারাও আমাদের পাশে দাঁড়ায়!
.. খেয়াল করলে দেখবেন’হাসানাত আব্দুল্লাহ,নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারি বা নাহিদ ইসলামরা যখন কোন মাদ্রাসায় যায় বা মসজিদে যায়,ছাত্ররা কি পরিমাণ সম্মান করে ও মোহাব্বত দেখায়,একেবারে তারা তাদের নিজেদের লোক মনে করে!
• এখন সেই মানুষগুলো যখন সংসদের মতো জায়গায় এভাবে না জেনে, না শুনে বক্তব্য দিলে কষ্ট তো লাগবেই!
• আওয়ামী লীগ বিএনপিতে থাকা শাহবাগী মার্কা কথা বলা বিদেশি এ*জে*ন্টদের কথা শুনলে মনে হয়—ওহ, এ আর নতুন কী? এরা তো চিহ্নিত কালপ্রিট!
• আর যাদের ডাকে আমরা যাই, যাদের প্রতি মোহাব্বত রাখি, তারা এমন করলে মনে হয় বে*ঈ*মানী!
• ওপেন শ*ত্রুতা সহ্য হয়, মো*না*ফে*কি না!